সংঘাত বাড়ছে, সাত শহর খালি করতে নির্দেশ তেল আবিবের
- আপডেট সময় : ০১:২২:৫২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ এপ্রিল ২০২৬ ৪৩ বার পড়া হয়েছে
যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় ঘোষিত যুদ্ধবিরতি কার্যকর থাকা সত্ত্বেও ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা বাহিনী দক্ষিণ লেবাননের বিভিন্ন এলাকায় নতুন করে জোরপূর্বক সরে যাওয়ার নির্দেশ জারি করেছে। এতে তথাকথিত ‘বাফার জোন’-এর বাইরে অবস্থিত অন্তত সাতটি শহরের বাসিন্দাদের এলাকা ত্যাগ করতে বলা হয়েছে। রোববার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক বিবৃতিতে ইসরায়েলি সামরিক বাহিনীর এক মুখপাত্র অভিযোগ করেন, হিজবুল্লাহ যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘন করছে। এ কারণে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানান তিনি। বাসিন্দাদের উত্তর ও পশ্চিম দিকে সরে যাওয়ার আহ্বান জানানো হয়।
জানা গেছে, সংশ্লিষ্ট শহরগুলো লিতানি নদী-এর উত্তরে অবস্থিত, যেখানে যুদ্ধবিরতির মধ্যেও ইসরায়েলের সামরিক অভিযান অব্যাহত রয়েছে। ইসরায়েলের ঘোষিত ‘বাফার জোন’ দক্ষিণ লেবাননের অভ্যন্তরে সীমান্ত থেকে প্রায় ১০ কিলোমিটার পর্যন্ত বিস্তৃত, যেখানে তাদের সেনা উপস্থিতি রয়েছে। অন্যদিকে আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম আলজাজিরা জানায়, হিজবুল্লাহ যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘনের অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করেছে। সংগঠনটি বলেছে, তাদের হামলা হচ্ছে ইসরায়েলের লঙ্ঘনের ‘বৈধ জবাব’। একইসঙ্গে তারা দাবি করে, যে যুদ্ধবিরতিতে তাদের সম্মতি নেই, সেটির সঙ্গে তাদের যুক্ত করা ঠিক নয়।
আরও পড়ুন, https://www.dailyamaderpatrika.com/2026/04/27/শিলিগুড়িতে-নিজের-মেয়েক/
এদিকে বার্তা সংস্থা এএফপি-এর তথ্য অনুযায়ী, রোববার দক্ষিণ লেবাননে ইসরায়েলের হামলায় অন্তত ১৪ জন নিহত হয়েছেন। নিহতদের মধ্যে দুই নারী ও দুই শিশু রয়েছে। আহত হয়েছেন আরও ৩৭ জন। এই পরিস্থিতিতে দুই পক্ষ একে অপরকে যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘনের জন্য দায়ী করছে। ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু জানিয়েছেন, সেনাবাহিনী হিজবুল্লাহর বিরুদ্ধে ‘জোরালো’ অভিযান চালাচ্ছে।
অন্যদিকে হিজবুল্লাহর শীর্ষ নেতা নাইম কাসেম ইসরায়েলের সঙ্গে লেবাননের সম্ভাব্য সরাসরি আলোচনা প্রত্যাখ্যান করেছেন। তিনি এ ধরনের উদ্যোগকে ‘গুরুতর পাপ’ বলে উল্লেখ করে বলেন, এটি লেবাননকে আরও অস্থিতিশীল করে তুলতে পারে।

























