রাজনৈতিক ব্যানারে সাংবাদিক পরিচয়ে সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের অভিযোগ, সরইয়ে আতঙ্কের নাম আলী হোসেন!
- আপডেট সময় : ০৫:৫৯:২৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ৮ জুন ২০২৬ ১২২ বার পড়া হয়েছে
বান্দরবানের লামা উপজেলার ৫নং সরই ইউনিয়নের কুতুবদিয়া পাড়ায় রাজনৈতিক প্রভাব ও সাংবাদিক পরিচয় ব্যবহার করে নানা সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড পরিচালনার অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় বাসিন্দা মোঃ আলী হোসেনের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় এলাকাজুড়ে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, কুতুবদিয়া পাড়ার বাসিন্দা ও কেয়ারটেকার আলমগীর দীর্ঘদিন ধরে জসিম উদ্দিনের রেকর্ডভুক্ত ৩৬৬, ৩৬৭ ও ৩৬৮ নং হোল্ডিংভুক্ত জমি দেখভালের দায়িত্ব পালন করে আসছেন। সম্প্রতি ওই জমিতে রোপণ করা আমগাছ থেকে আম চুরির সময় এক শিশুকে হাতেনাতে আটক করা হয় বলে দাবি করেন তিনি।
আরও পড়ুন, https://www.dailyamaderpatrika.com/2026/06/08/চুয়াডাঙ্গা-জেলা-কারাগার/
আলমগীরের ভাষ্য অনুযায়ী, জিজ্ঞাসাবাদে ওই শিশু জানায় যে স্থানীয় রাজনৈতিক প্রভাবশালী ও সাংবাদিক পরিচয়ধারী আলী হোসেন তাকে আম পাড়তে পাঠিয়েছেন। এ ঘটনার কিছুক্ষণ পর শিশুটির পিতা আমির হোসাইনসহ কয়েকজন দেশীয় অস্ত্র ও লাঠিসোঁটা নিয়ে তার ওপর হামলার চেষ্টা চালায় বলে অভিযোগ করেন আলমগীর। তিনি প্রাণভয়ে সেখান থেকে পালিয়ে যান এবং বর্তমানে নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন বলে জানান।
এ ঘটনায় আলমগীর ৫নং সরই ইউনিয়ন পরিষদের প্রশাসকের কাছে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। অভিযোগে তিনি দাবি করেন, তার বাগান থেকে প্রায় ৫০ থেকে ৬০ হাজার টাকার আম নিয়ে যাওয়া হয়েছে।
আরও পড়ুন, https://www.dailyamaderpatrika.com/2026/06/08/নান্দাইলে-জলবায়ু-পরিবর্/
অভিযোগে উল্লেখিত ব্যক্তিরা হলেন—
১. আমির হোসাইন (প্রকাশ বধু), পিতা: মোহাম্মদ সৈয়দ।
২. মোঃ আলী হোসেন, পিতা: নুরুল হক।
উভয়ের ঠিকানা: কুতুবদিয়া পাড়া, ৮নং ওয়ার্ড, ৫নং সরই ইউনিয়ন, লামা উপজেলা, বান্দরবান।
ঘটনার সত্যতা যাচাই করতে সরেজমিনে অনুসন্ধানে যান দৈনিক গণবার্তার স্টাফ রিপোর্টার মোঃ আবু বক্কর সিদ্দিক। অনুসন্ধানকালে অভিযুক্ত আলী হোসেন তথ্য সংগ্রহে বাধা প্রদান করেন বলে অভিযোগ ওঠে। এ সময় তার সঙ্গে থাকা কয়েকজন বহিরাগত ব্যক্তিও সাংবাদিকের ওপর চাপ সৃষ্টি করে বলে জানা যায়।
আরও পড়ুন, https://www.dailyamaderpatrika.com/2026/06/08/জীবননগরে-সপ্তম-শ্রেণির-ছ/
স্থানীয় সূত্রগুলো দাবি করেছে, আলী হোসেন দীর্ঘদিন ধরে রাজনৈতিক পরিচয় ও সাংবাদিকতার নাম ব্যবহার করে এলাকায় প্রভাব বিস্তার করে আসছেন। তার কর্মকাণ্ডে সাধারণ মানুষ অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছে বলেও অভিযোগ রয়েছে।
অনুসন্ধানের ধারাবাহিকতায় ৮ জুন ২০২৬ তারিখে ঘটনাস্থলে তথ্য সংগ্রহের সময় সাংবাদিক মোঃ আবু বক্কর সিদ্দিক নিজেকে অবরুদ্ধ অবস্থায় দেখতে পান। পরিস্থিতির অবনতি হলে তিনি জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এ ফোন করেন। খবর পেয়ে কেয়াজুপাড়া পুলিশ ফাঁড়ির এসআই দীপনের নেতৃত্বে পুলিশের একটি দল দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে তাকে উদ্ধার করে।




















