আম খাওয়ার সঠিক নিয়ম জানেন? ভুল করলে বাড়তে পারে ঝুঁকি
- আপডেট সময় : ০২:৩২:৩৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬ ৪৭ বার পড়া হয়েছে
গ্রীষ্মকাল মানেই আমের মৌসুম। স্বাদ, গন্ধ আর পুষ্টিগুণে ভরপুর এই ফল বাংলাদেশের মানুষের অন্যতম প্রিয়। তবে ডায়াবেটিস রোগী কিংবা যারা ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখতে চান, তাদের অনেকের মনেই প্রশ্ন—আম খেলে কি সুগার ও ওজন বেড়ে যায়?
বিশেষজ্ঞদের মতে, আম খাওয়ার ক্ষেত্রে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো পরিমাণ ও সময়। খোসা ও আঁটি ছাড়া ১০০ গ্রাম আমে থাকে প্রায় ৬৫ থেকে ৭০ ক্যালরি, যেখানে একই পরিমাণ সেদ্ধ ভাতে ক্যালরি থাকে প্রায় ১২৫। অর্থাৎ ক্যালরির দিক থেকে আম ভাতের চেয়েও কম।
আরও পড়ুন, https://www.dailyamaderpatrika.com/2026/06/11/নাটোর-আমার-শ্বশুরবাড়ি/
শুধু তাই নয়, আমে রয়েছে ভিটামিন এ, ভিটামিন সি, আঁশ, পটাশিয়াম, ম্যাগনেশিয়াম ও লাইকোপেনের মতো গুরুত্বপূর্ণ পুষ্টি উপাদান। যা চোখের সুরক্ষা, ত্বকের স্বাস্থ্য, হৃদ্যন্ত্রের কার্যকারিতা এবং হজমশক্তি উন্নত করতে সাহায্য করে।বিশেষজ্ঞরা বলছেন, একজন সুস্থ প্রাপ্তবয়স্ক ব্যক্তি সকালের নাশতার বিকল্প হিসেবে ৩০০ থেকে ৩৫০ গ্রাম আম খেতে পারেন। তবে আম খাওয়ার সময় অন্য কোনো শর্করাজাতীয় খাবার যেমন ভাত, রুটি বা মুড়ি খাওয়া ঠিক নয়।
ডায়াবেটিস রোগীদের ক্ষেত্রে রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণে থাকলে পরিমিত পরিমাণে আম খাওয়া যেতে পারে। তবে সুগার অনিয়ন্ত্রিত থাকলে আম এড়িয়ে চলাই ভালো। আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো—আম কখন খাবেন। পুষ্টিবিদদের পরামর্শ, সন্ধ্যার পর আম না খেয়ে দিনের প্রথম ভাগে বা বিকেলের আগেই খাওয়া উত্তম। এতে শরীর সহজে ক্যালরি ব্যবহার করতে পারে।
আরও পড়ুন, https://www.dailyamaderpatrika.com/2026/06/13/যে-বাজেটে-ট্যাক্স-কমানো-হ/
এছাড়া আম কখনো জুস করে নয়, খোসা ছাড়িয়ে ধীরে ধীরে চিবিয়ে খাওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা। কারণ জুস করলে আঁশের পরিমাণ কমে যায় এবং রক্তে শর্করা দ্রুত বাড়তে পারে। সব মিলিয়ে, সঠিক পরিমাণ ও সঠিক সময়ে খেলে আম কোনো ভয় নয়, বরং হতে পারে সুস্বাদু ও পুষ্টিকর একটি খাবার।
























