ঢাকা ০১:৪০ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৩ জুন ২০২৬, ৮ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ:
পেনাল্টি মিস করেও ইতিহাস গড়লেন মেসি চোরাই পথে সার পাচারকালে আটক, মোবাইল কোর্টে ব্যবসায়ীকে ২০ হাজার টাকা জরিমানা উত্তরপ্রদেশের লখনউয়ের কোচিং সেন্টারে আগুন, ঝলসে মৃত্যু অন্তত ১৫ জনের  বকেয়া বিদ্যুৎবিল পরিশোধের পর চালু হলো বেলগাছি ইউনিয়ন পরিষদের কার্যক্রম ছাত্রলীগের ‘উসকানিমূলক কর্মকাণ্ডের’ প্রতিবাদে নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রদলের বিক্ষোভ মিছিল চুয়াডাঙ্গায় বিশেষ অভিযানে নিষিদ্ধ সংগঠনের ৭ নেতাকর্মী গ্রেফতার কুলাউড়ায় যানজট, মাদক ও অপরাধ দমনে নেওয়া হলো কঠোর সিদ্ধান্ত তাড়াশে কোচিং সেন্টারের আড়ালে শিক্ষকের বিরুদ্ধে ছাত্রীকে যৌন-নিপিড়নের অভিযোগ নীলফামারীতে ভালো কাজের স্বীকৃতি পেলেন যাঁরা চুয়াডাঙ্গায় ২শ’ শিক্ষার্থীর হাতে বসুন্ধরা শুভসংঘের গাছের চারা

কলাপাড়ায় প্রতিবেশীর নির্যাতন ও মিথ্যা মামলার অভিযোগে সংবাদ সম্মেলন

জাহিদ তালুকদার, কলাপাড়া, পটুয়াখালী প্রতিনিধি:
  • আপডেট সময় : ০৩:৫৯:৩১ অপরাহ্ন, সোমবার, ১ জুন ২০২৬ ৯০ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় প্রতিবেশীর বিভিন্ন ধরনের নির্যাতন, হয়রানি এবং একাধিক মিথ্যা মামলার প্রতিবাদে স্ব-পরিবার নিয়ে সংবাদ সম্মেলন করেছেন ভুক্তভোগী আবদুল হক ঘরামী। প্রতিবেশীর অত্যাচার ও হয়রানিমূলক মামলা থেকে পরিত্রাণ পেতে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন তিনি।

সোমবার সকাল সাড়ে ১১টায় কলাপাড়া উপজেলা প্রেসক্লাব মিলনায়তনে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন আবদুল হক ঘরামী। লিখিত বক্তব্যে তিনি জানান, তিনি পেশায় একজন রাজমিস্ত্রী। প্রায় পাঁচ বছর আগে কলাপাড়া উপজেলার নবীপুর মৌজায় স্থানীয় শাহআলম হাওলাদারের কাছ থেকে ১০ শতাংশ জমি ক্রয় করে সেখানে বসতঘর নির্মাণ করে পরিবার নিয়ে বসবাস করছেন। একই মালিকের কাছ থেকে তার প্রতিবেশী রুমানা বেগম ৩৩ শতাংশ জমি কিনে বসবাস করছেন।

আরও পড়ুন, https://www.dailyamaderpatrika.com/2026/06/01/ঈদ-শেষে-কর্মস্থলে-ফেরা-স্/

আবদুল হক ঘরামীর অভিযোগ, জমি নিয়ে তাদের মধ্যে কোনো বিরোধ না থাকলেও তিনি অর্থনৈতিকভাবে দুর্বল হওয়ায় প্রতিবেশী রুমানা বেগম তাকে ওই এলাকা থেকে উচ্ছেদের চেষ্টা করছেন। এ উদ্দেশ্যে তার সীমানা সংলগ্ন স্থানে বিভিন্ন প্রজাতির গাছ রোপণ করা হয়। পরবর্তীতে গাছগুলো বড় হয়ে ডালপালা ও লতাপাতার মাধ্যমে তার বসতঘর ও পুকুরের ক্ষতি করছে। পাশাপাশি এসব গাছের কারণে পরিবারের সদস্যদের চলাচলেও বিঘ্ন সৃষ্টি হচ্ছে।

তিনি আরও অভিযোগ করেন, বিষয়টি নিয়ে প্রতিবাদ করলে রুমানা বেগম ঝগড়া-বিবাদে জড়িয়ে পড়েন এবং প্রভাব খাটিয়ে তার বিরুদ্ধে একের পর এক তিনটি মিথ্যা মামলা দায়ের করেন। এসব মামলার কারণে তিনি আর্থিকভাবে ব্যাপক ক্ষতির সম্মুখীন হয়েছেন। ইতোমধ্যে মামলা পরিচালনা ও অন্যান্য খাতে প্রায় তিন লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে বলে দাবি করেন তিনি। সংবাদ সম্মেলনে আবদুল হক ঘরামী বলেন, “আমি একজন দিনমজুর ও রাজমিস্ত্রী। পরিবার নিয়ে শান্তিতে বসবাস করতে চাই। কিন্তু প্রতিবেশীর কারণে আমরা চরম আতঙ্ক ও অনিশ্চয়তার মধ্যে দিন কাটাচ্ছি। প্রশাসনের কাছে ন্যায়বিচার এবং মিথ্যা মামলা থেকে মুক্তি চাই।”

আরও পড়ুন, https://www.dailyamaderpatrika.com/2026/05/30/বগুড়ায়-জুতাপেটার-ঘটনায/

তিনি ও তার পরিবারের সদস্যরা প্রতিবেশীর কথিত নির্যাতন, হয়রানি ও মিথ্যা মামলা থেকে পরিত্রাণের জন্য প্রশাসন, জনপ্রতিনিধি এবং রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দের সুদৃষ্টি কামনা করেন। সংবাদ সম্মেলনে ভুক্তভোগীর পরিবারের সদস্য ও স্বজনদের পাশাপাশি কলাপাড়া উপজেলা প্রেসক্লাবের সভাপতি কবির তালুকদার, কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্যবৃন্দ, সাধারণ সদস্য এবং বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

কলাপাড়ায় প্রতিবেশীর নির্যাতন ও মিথ্যা মামলার অভিযোগে সংবাদ সম্মেলন

আপডেট সময় : ০৩:৫৯:৩১ অপরাহ্ন, সোমবার, ১ জুন ২০২৬

পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় প্রতিবেশীর বিভিন্ন ধরনের নির্যাতন, হয়রানি এবং একাধিক মিথ্যা মামলার প্রতিবাদে স্ব-পরিবার নিয়ে সংবাদ সম্মেলন করেছেন ভুক্তভোগী আবদুল হক ঘরামী। প্রতিবেশীর অত্যাচার ও হয়রানিমূলক মামলা থেকে পরিত্রাণ পেতে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন তিনি।

সোমবার সকাল সাড়ে ১১টায় কলাপাড়া উপজেলা প্রেসক্লাব মিলনায়তনে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন আবদুল হক ঘরামী। লিখিত বক্তব্যে তিনি জানান, তিনি পেশায় একজন রাজমিস্ত্রী। প্রায় পাঁচ বছর আগে কলাপাড়া উপজেলার নবীপুর মৌজায় স্থানীয় শাহআলম হাওলাদারের কাছ থেকে ১০ শতাংশ জমি ক্রয় করে সেখানে বসতঘর নির্মাণ করে পরিবার নিয়ে বসবাস করছেন। একই মালিকের কাছ থেকে তার প্রতিবেশী রুমানা বেগম ৩৩ শতাংশ জমি কিনে বসবাস করছেন।

আরও পড়ুন, https://www.dailyamaderpatrika.com/2026/06/01/ঈদ-শেষে-কর্মস্থলে-ফেরা-স্/

আবদুল হক ঘরামীর অভিযোগ, জমি নিয়ে তাদের মধ্যে কোনো বিরোধ না থাকলেও তিনি অর্থনৈতিকভাবে দুর্বল হওয়ায় প্রতিবেশী রুমানা বেগম তাকে ওই এলাকা থেকে উচ্ছেদের চেষ্টা করছেন। এ উদ্দেশ্যে তার সীমানা সংলগ্ন স্থানে বিভিন্ন প্রজাতির গাছ রোপণ করা হয়। পরবর্তীতে গাছগুলো বড় হয়ে ডালপালা ও লতাপাতার মাধ্যমে তার বসতঘর ও পুকুরের ক্ষতি করছে। পাশাপাশি এসব গাছের কারণে পরিবারের সদস্যদের চলাচলেও বিঘ্ন সৃষ্টি হচ্ছে।

তিনি আরও অভিযোগ করেন, বিষয়টি নিয়ে প্রতিবাদ করলে রুমানা বেগম ঝগড়া-বিবাদে জড়িয়ে পড়েন এবং প্রভাব খাটিয়ে তার বিরুদ্ধে একের পর এক তিনটি মিথ্যা মামলা দায়ের করেন। এসব মামলার কারণে তিনি আর্থিকভাবে ব্যাপক ক্ষতির সম্মুখীন হয়েছেন। ইতোমধ্যে মামলা পরিচালনা ও অন্যান্য খাতে প্রায় তিন লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে বলে দাবি করেন তিনি। সংবাদ সম্মেলনে আবদুল হক ঘরামী বলেন, “আমি একজন দিনমজুর ও রাজমিস্ত্রী। পরিবার নিয়ে শান্তিতে বসবাস করতে চাই। কিন্তু প্রতিবেশীর কারণে আমরা চরম আতঙ্ক ও অনিশ্চয়তার মধ্যে দিন কাটাচ্ছি। প্রশাসনের কাছে ন্যায়বিচার এবং মিথ্যা মামলা থেকে মুক্তি চাই।”

আরও পড়ুন, https://www.dailyamaderpatrika.com/2026/05/30/বগুড়ায়-জুতাপেটার-ঘটনায/

তিনি ও তার পরিবারের সদস্যরা প্রতিবেশীর কথিত নির্যাতন, হয়রানি ও মিথ্যা মামলা থেকে পরিত্রাণের জন্য প্রশাসন, জনপ্রতিনিধি এবং রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দের সুদৃষ্টি কামনা করেন। সংবাদ সম্মেলনে ভুক্তভোগীর পরিবারের সদস্য ও স্বজনদের পাশাপাশি কলাপাড়া উপজেলা প্রেসক্লাবের সভাপতি কবির তালুকদার, কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্যবৃন্দ, সাধারণ সদস্য এবং বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন।