বলিভিয়ায় জরুরি অবস্থা ঘোষণা, টানা বিক্ষোভে অচল দেশ
- আপডেট সময় : ০৩:১৩:৩৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ২০ জুন ২০২৬ ৩০ বার পড়া হয়েছে
দক্ষিণ আমেরিকার দেশ Bolivia-তে টানা কয়েক সপ্তাহ ধরে চলা সরকারবিরোধী বিক্ষোভ ও সড়ক অবরোধের মুখে দেশজুড়ে জরুরি অবস্থা ঘোষণা করেছেন প্রেসিডেন্ট Rodrigo Paz। শনিবার ঘোষিত এই সিদ্ধান্তের মাধ্যমে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সেনাবাহিনী ও পুলিশকে বিশেষ ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে সরকার।
প্রেসিডেন্ট পাজ বলেন, দেশের প্রধান সড়কগুলো সচল রাখা এবং জনজীবন স্বাভাবিক করতেই জরুরি অবস্থা জারি করা হয়েছে। তার দাবি, দীর্ঘদিন ধরে চলা অবরোধের কারণে খাদ্য, জ্বালানি ও চিকিৎসাসামগ্রী পরিবহন মারাত্মকভাবে ব্যাহত হয়েছে। শ্রমিক সংগঠন, কৃষক এবং সাবেক প্রেসিডেন্ট Evo Morales-এর সমর্থকদের নেতৃত্বে চলমান আন্দোলনে সরকারের পদত্যাগ, বেতন বৃদ্ধি, জ্বালানি সংকট নিরসন এবং ডলারের সরবরাহ স্বাভাবিক করার দাবি জানানো হচ্ছে।
আরও পড়ুন, https://www.dailyamaderpatrika.com/2026/06/20/ইরানকে-ট্রাম্পের-নতুন-৬০/
সরকারের তথ্য অনুযায়ী, গত প্রায় ৫০ দিন ধরে চলা অবরোধে দেশের অর্থনীতি কার্যত স্থবির হয়ে পড়েছে। আলোচনা ও সমঝোতার বিভিন্ন উদ্যোগ ব্যর্থ হওয়ার পরই জরুরি অবস্থা জারির সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, প্রেসিডেন্ট পাজ ক্ষমতায় আসার মাত্র সাত মাসের মাথায় সবচেয়ে বড় রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হয়েছেন। বাজেট ঘাটতি কমাতে জ্বালানি ভর্তুকি হ্রাসের সিদ্ধান্ত নেওয়ার পর থেকেই জনঅসন্তোষ বাড়তে থাকে।
আরও পড়ুন, https://www.dailyamaderpatrika.com/2026/06/20/পাকিস্তানের-বান্নুতে-জোড/
বর্তমানে দেশটি বৈদেশিক মুদ্রার ঘাটতি, প্রাকৃতিক গ্যাস রপ্তানি কমে যাওয়া, উচ্চ মূল্যস্ফীতি এবং জ্বালানির তীব্র সংকটে ভুগছে। অর্থনৈতিক এই চাপ সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রার ব্যয় বাড়িয়ে দিয়েছে, যা আন্দোলনকে আরও তীব্র করেছে। গত মাসে অভ্যন্তরীণ সংঘাতে সামরিক বাহিনীর হস্তক্ষেপের অনুমতি দিয়ে একটি আইন স্বাক্ষর করেছিলেন প্রেসিডেন্ট পাজ। তখন তিনি বলেছিলেন, আলোচনার সব পথ বন্ধ হয়ে গেলে জরুরি অবস্থা জারি করা হবে। শেষ পর্যন্ত সেই পরিস্থিতিই তৈরি হয়েছে বলে মনে করছে রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকরা।























