প্রেমিকের ১৬, প্রেমিকার ১৪, সম্পর্ক মানেনি পরিবার, আত্মঘাতী যুগল
- আপডেট সময় : ০৩:৪৭:৫৪ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২০ জুন ২০২৬ ৩৬ বার পড়া হয়েছে
প্রেম তো বয়স মানে না। তাই ১৪ বছরের নাবালিকার প্রেমে পড়েছিল ১৬ বছরের কিশোর। সম্পর্কের কথা পরিবার জানতেই তাঁরা বাধা হয়ে দাঁড়ায়। যার পরিণতি হল ভয়াবহ। সিঁদুরে প্রেমিকার সিঁথি রাঙিয়ে একসঙ্গে আত্মঘাতী হল যুগল। একটি ঘর থেকে উদ্ধার ২ জনের ঝুলন্ত দেহ। ঘটনাকে কেন্দ্র করে ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে ভারতের পশ্চিমবঙ্গের পূর্ব বর্ধমান জেলার মঙ্গল কোটে।
ইতিমধ্যেই দেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তে পাঠিয়েছে পুলিশ। কান্নায় ভেঙে পড়েছে পরিবার। পূর্ব বর্ধমান জেলার মঙ্গল কোট থানার কুঁদো গ্রামের বাসিন্দা বিক্রম মাঝি (১৬) ও নন্দিনী মাঝি (১৪)। একই পাড়ায় তাঁদের বাড়ি। শিমুলিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ের অষ্টম শ্রেণীর ছাত্রী ছিল নন্দিনী। বিক্রম ২ বছর আগে লেখাপড়া ছেড়ে রাজমিস্ত্রির জোগাড়ের কাজে লেগেছিল পেটের তাগিদে।
আরও পড়ুন, https://www.dailyamaderpatrika.com/2026/06/19/মহিলাকে-ধর্ষণে-ধৃত-পুণের/
জানা গেছে, কুঁদো বিক্রমের মামার বাড়ি। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বছর খানেক আগে বিক্রম ও নন্দিনীর মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। বিষয়টি ২ পরিবার জেনে যায়। পরিবার ও পড়শিরা তাদের অনেক বোঝানোর চেষ্টা করে। কারণ, কেউই প্রাপ্ত বয়স্ক নয়। কিন্তু তারা একে অপরকে ছাড়তে নারাজ।
পরিবার সূত্রে জানা গেছে, বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) নন্দিনী, বিক্রম ২ জনেই রাতে যে যার বাড়িতে শুয়ে পড়ে। এরপর গভীর রাতে নন্দিনী চলে যায় বিক্রমের বাড়িতে। কেউ টের পাননি।
আরও পড়ুন, https://www.dailyamaderpatrika.com/2026/06/20/আসামে-ভয়াবহ-সড়ক-দুর্ঘট/
প্রায় রোজই ভোরের দিকে কাজে যেত বিক্রম। তাঁর মা এদিন ভোরে ছেলেকে ঘুম থেকে তুলতে যান। দরজায় বারবার ধাক্কা দিয়ে ও ছেলে সাড়া পাননি তিনি। তারপর জানালার ফাঁক দিয়ে বিক্রমের মা তাপসী দেবী দেখতে পান ছেলের ঝুলন্ত দেহ। পড়শিদের ডেকে দরজা ভেঙে ভিতরে ঢুকলে ২ জনকেই একই কাপড়ে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পাওয়া যায়।
দেখা যায়, নন্দিনীর সিঁথি ভরা সিঁদুর।
























