ঢাকা ০১:০২ অপরাহ্ন, সোমবার, ২২ জুন ২০২৬, ৮ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ:
মালয়েশিয়ায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সম্মানে আনোয়ার ইব্রাহিমের মধ্যাহ্নভোজ শূন্য পদ ৪ লাখ ৬৮ হাজারের বেশি: সংসদে জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিমের সঙ্গে বৈঠকে তারেক রহমান মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার দ্রুত খুলতে আনোয়ার ইব্রাহিমকে অনুরোধ প্রধানমন্ত্রীর ওয়াসিম হত্যা মামলায় হাছান মাহমুদসহ ২২ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের শুনানি আজ তিস্তার ভয়াবহ ভাঙনে হুমকিতে মহিপুর সেতু, ঝুঁকিতে রংপুর-কাকিনা সড়ক আলমডাঙ্গায় মাদকসেবনের দায়ে দুই যুবকের কারাদণ্ড তামিলনাড়ুর কারখানায় গ্যাস লিক! মৃত অন্তত ৭, আহত ৬৭ দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত ৬৩৩ পরিবারের মুখে স্বস্তির হাসি: আলমডাঙ্গায় নগদ অর্থ ও খাদ্যশস্য বিতরণ মাদারগঞ্জে জাতীয় ফল মেলা-২০২৬ অনুষ্ঠিত

১২৫তম বার পিছাল সাগর-রুনি হত্যা মামলার তদন্ত প্রতিবেদন

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • আপডেট সময় : ০৫:০২:৪৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ১ এপ্রিল ২০২৬ ৮১ বার পড়া হয়েছে

১২৫তম বার পিছাল সাগর-রুনি হত্যা মামলার তদন্ত প্রতিবেদন

আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

সাগর সারওয়ার এবং মেহেরুন রুনি হত্যা মামলার তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের তারিখ আবার পেছানো হয়েছে। বুধবার ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আরিফুর রহমানের আদালতে এ মামলার প্রতিবেদন দাখিলের দিন ধার্য ছিল। কিন্তু এদিন মামলার তদন্তকারী সংস্থা পিবিআইর তদন্তকারী কর্মকর্তা প্রতিবেদন দাখিল করতে পারেননি। তাই আদালত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য আগামী ৭ মে নতুন দিন ধার্য করেন। এ নিয়ে মামলায় তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের তারিখ ১২৫ বার পেছালো।

সাগর-রুনি হত্যা মামলাটি দীর্ঘদিন ধরে র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়নের (র‌্যাব) কাছে তদন্তাধীন ছিল। বাদীপক্ষের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ২০২৪ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর তদন্তের জন্য একটি টাস্কফোর্স গঠনের আদেশ দেন হাইকোর্ট। বর্তমানে পিবিআই মামলার তদন্ত কার্যক্রম পরিচালনা করছে। এ মামলায় রুনির বন্ধু তানভীর রহমানসহ মোট আটজনকে গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতার অপর আসামিরা হলেন-বাড়ির নিরাপত্তাকর্মী এনাম আহমেদ ওরফে হুমায়ুন কবির, রফিকুল ইসলাম, বকুল মিয়া, মিন্টু ওরফে বারগিরা মিন্টু ওরফে মাসুম মিন্টু, কামরুল হাসান অরুন, পলাশ রুদ্র পাল ও আবু সাঈদ। এদের মধ্যে তানভীর ও পলাশ রুদ্র জামিনে আছেন। বাকিরা এখনো কারাগারে।

মামলার বিবরণীতে জানা যায়, ২০১২ সালের ১১ ফেব্রুয়ারি রাতে ঢাকার পশ্চিম রাজাবাজারে সাংবাদিক দম্পতি মাছরাঙা টেলিভিশনের বার্তা সম্পাদক সাগর সরওয়ার এবং এটিএন বাংলার জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক মেহেরুন রুনি তাদের ভাড়া বাসায় নির্মমভাবে খুন হন। পরদিন ভোরে তাদের ক্ষত-বিক্ষত মরদেহ উদ্ধার করা হয়। ওই বছরের ১২ ফেব্রুয়ারি রুনির ভাই নওশের আলী রোমান বাদী হয়ে শেরেবাংলা নগর থানায় মামলা করেন। প্রথমে মামলাটির তদন্ত করেন শেরে বাংলা নগর থানার একজন কর্মকর্তা। এরপর ১৬ ফেব্রুয়ারি মামলার তদন্ত ভার পড়ে গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) উত্তরের পুলিশ পরিদর্শক মো. রবিউল আলমের ওপর। এর দুই মাস পর হাইকোর্টের আদেশে মামলাটির তদন্তের দায়িত্ব দেওয়া হয় র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়নকে।

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

১২৫তম বার পিছাল সাগর-রুনি হত্যা মামলার তদন্ত প্রতিবেদন

আপডেট সময় : ০৫:০২:৪৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ১ এপ্রিল ২০২৬

সাগর সারওয়ার এবং মেহেরুন রুনি হত্যা মামলার তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের তারিখ আবার পেছানো হয়েছে। বুধবার ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আরিফুর রহমানের আদালতে এ মামলার প্রতিবেদন দাখিলের দিন ধার্য ছিল। কিন্তু এদিন মামলার তদন্তকারী সংস্থা পিবিআইর তদন্তকারী কর্মকর্তা প্রতিবেদন দাখিল করতে পারেননি। তাই আদালত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য আগামী ৭ মে নতুন দিন ধার্য করেন। এ নিয়ে মামলায় তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের তারিখ ১২৫ বার পেছালো।

সাগর-রুনি হত্যা মামলাটি দীর্ঘদিন ধরে র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়নের (র‌্যাব) কাছে তদন্তাধীন ছিল। বাদীপক্ষের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ২০২৪ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর তদন্তের জন্য একটি টাস্কফোর্স গঠনের আদেশ দেন হাইকোর্ট। বর্তমানে পিবিআই মামলার তদন্ত কার্যক্রম পরিচালনা করছে। এ মামলায় রুনির বন্ধু তানভীর রহমানসহ মোট আটজনকে গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতার অপর আসামিরা হলেন-বাড়ির নিরাপত্তাকর্মী এনাম আহমেদ ওরফে হুমায়ুন কবির, রফিকুল ইসলাম, বকুল মিয়া, মিন্টু ওরফে বারগিরা মিন্টু ওরফে মাসুম মিন্টু, কামরুল হাসান অরুন, পলাশ রুদ্র পাল ও আবু সাঈদ। এদের মধ্যে তানভীর ও পলাশ রুদ্র জামিনে আছেন। বাকিরা এখনো কারাগারে।

মামলার বিবরণীতে জানা যায়, ২০১২ সালের ১১ ফেব্রুয়ারি রাতে ঢাকার পশ্চিম রাজাবাজারে সাংবাদিক দম্পতি মাছরাঙা টেলিভিশনের বার্তা সম্পাদক সাগর সরওয়ার এবং এটিএন বাংলার জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক মেহেরুন রুনি তাদের ভাড়া বাসায় নির্মমভাবে খুন হন। পরদিন ভোরে তাদের ক্ষত-বিক্ষত মরদেহ উদ্ধার করা হয়। ওই বছরের ১২ ফেব্রুয়ারি রুনির ভাই নওশের আলী রোমান বাদী হয়ে শেরেবাংলা নগর থানায় মামলা করেন। প্রথমে মামলাটির তদন্ত করেন শেরে বাংলা নগর থানার একজন কর্মকর্তা। এরপর ১৬ ফেব্রুয়ারি মামলার তদন্ত ভার পড়ে গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) উত্তরের পুলিশ পরিদর্শক মো. রবিউল আলমের ওপর। এর দুই মাস পর হাইকোর্টের আদেশে মামলাটির তদন্তের দায়িত্ব দেওয়া হয় র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়নকে।