রায়ের আগে ন্যায়বিচারের প্রত্যাশা বাদীপক্ষের আইনজীবীর
- আপডেট সময় : ০২:৩১:২৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ১০ জুন ২০২৬ ৩২ বার পড়া হয়েছে
ক্রিকেটার নাসির হোসেন ও তার স্ত্রী তামিমা সুলতানাকে ঘিরে বহুল আলোচিত বিয়ে-সংক্রান্ত মামলার রায় ঘোষণার আগে ন্যায়বিচারের প্রত্যাশা ব্যক্ত করেছেন বাদীপক্ষের আইনজীবী ইশরাত হাসান। বুধবার রায় ঘোষণার আগে গণমাধ্যমের সঙ্গে আলাপকালে তিনি বলেন, আদালত সাক্ষ্য-প্রমাণ ও উপস্থাপিত তথ্যের ভিত্তিতেই সিদ্ধান্ত দেবেন। এই রায় শুধু একটি মামলার নিষ্পত্তি নয়, বরং দেশের জন্য সামাজিক ন্যায়বিচারের একটি গুরুত্বপূর্ণ উদাহরণ হয়ে উঠতে পারে।
আরও পড়ুন, https://www.dailyamaderpatrika.com/2026/06/09/সুপ্রিম-কোর্টের-পৃথক-সচি/
ইশরাত হাসান জানান, গত পাঁচ বছর চার মাসেরও বেশি সময় ধরে তারা মামলাটি পরিচালনা করে আসছেন। আদালতের সামনে বিভিন্ন সাক্ষ্য-প্রমাণ, নথিপত্র ও ঘটনার বাস্তব চিত্র তুলে ধরা হয়েছে। তাই তারা বিশ্বাস করেন, বিচারিক প্রক্রিয়ার মাধ্যমেই সত্য প্রতিষ্ঠিত হবে। তিনি আরও বলেন, আসামিপক্ষের আইনজীবী গণমাধ্যমে আগাম খালাস পাওয়ার কথা বললেও আদালতের রায় আগে থেকে কেউ বলতে পারে না। আদালতের প্রতি পূর্ণ আস্থা রেখেই তারা রায়ের অপেক্ষা করছেন।
মামলার পটভূমি তুলে ধরে আইনজীবী বলেন, বাদী রাকিব হোসেনের উদ্দেশ্য কাউকে ব্যক্তিগতভাবে হয়রানি করা নয়। তার অভিযোগ ছিল, আইনসম্মত প্রক্রিয়া অনুসরণ না করেই বিবাহবিচ্ছেদ দেখানো হয়েছে এবং কিছু নথিপত্রে জালিয়াতির আশ্রয় নেওয়া হয়েছে। তিনি বলেন, ব্যক্তিগত সম্পর্ক যার যার বিষয় হলেও ডিভোর্স ছাড়া নতুন বিয়ে, নথিপত্রে জালিয়াতি এবং এসব ঘটনার কারণে সন্তানদের ভবিষ্যৎ সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়। তাই এই মামলার রায় সমাজে একটি গুরুত্বপূর্ণ বার্তা দেবে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
আরও পড়ুন, https://www.dailyamaderpatrika.com/2026/06/10/শান্তিরক্ষীদের-সম্মান-জা/
বাদীপক্ষের দাবি, মামলাটি চলাকালে বিভিন্নভাবে আপসের প্রস্তাব ও চাপ সৃষ্টি করার চেষ্টা হয়েছিল। তবে তারা বিচারিক প্রক্রিয়া থেকে সরে আসেননি। তাদের প্রত্যাশা, এই মামলার মাধ্যমে আইনের যথাযথ প্রয়োগ নিশ্চিত হবে এবং ভবিষ্যতে এমন ঘটনা ঘটানোর আগে অনেকেই সতর্ক হবেন।
উল্লেখ্য, আলোচিত এই মামলার রায় আজ ঘোষণা করবেন ঢাকার অ্যাডিশনাল চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জশিতা ইসলাম। অভিযোগ প্রমাণিত হলে দণ্ডবিধির ৪৯৪ ধারায় সর্বোচ্চ সাত বছরের কারাদণ্ড, অর্থদণ্ড অথবা উভয় দণ্ডের বিধান রয়েছে।

























