আলোচনা ভেস্তে যাওয়ার পর হরমুজে নৌ অবরোধের নির্দেশ, নতুন সংঘাতের শঙ্কা
- আপডেট সময় : ১২:৪২:০৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৩ এপ্রিল ২০২৬ ৫৪ বার পড়া হয়েছে
যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান-এর মধ্যে উচ্চপর্যায়ের আলোচনা ভেঙে পড়ার পর মধ্যপ্রাচ্যে নতুন করে সংঘাতের আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত করে ডোনাল্ড ট্রাম্প হরমুজ প্রণালি-তে নৌ অবরোধের নির্দেশ দিয়েছেন। পাকিস্তানের রাজধানী ইসলামাবাদ-এ ২০ ঘণ্টারও বেশি সময় ধরে চলা বৈঠক শেষে যুক্তরাষ্ট্রের ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স স্বীকার করেন, দুই পক্ষের মতপার্থক্য এতটাই গভীর যে তাৎক্ষণিক সমাধান সম্ভব হয়নি। কোনো চুক্তি ছাড়াই উভয় পক্ষের প্রতিনিধিদল বৈঠক শেষ করে ফিরে যায়।
আরও পড়ুন, https://www.dailyamaderpatrika.com/2026/04/09/হরমুজ-প্রণালি-দিয়ে-চলাচ/
এই ব্যর্থতার ফলে দুই সপ্তাহের যুদ্ধবিরতি টিকবে কি না, তা নিয়েও অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। ইতোমধ্যে অঞ্চলের সাধারণ মানুষও উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। তেহরান, তেল আবিব ও আবুধাবির বাসিন্দারা সম্ভাব্য যুদ্ধ নিয়ে আতঙ্কে রয়েছেন। এদিকে পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে ট্রাম্প হরমুজ প্রণালিতে তাৎক্ষণিক নৌ অবরোধের ঘোষণা দেন। তিনি হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, কোনো জাহাজ ইরানকে শুল্ক দিলে তা আটক করা হবে। এমনকি ইরানের তেল আয়ের পথও বন্ধ করে দেওয়ার হুমকি দেন তিনি।
আরও পড়ুন, https://www.dailyamaderpatrika.com/2026/04/09/আসামের-ভোট-কেন্দ্রে-পোলি/
বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি রুট হিসেবে পরিচিত হরমুজ প্রণালিতে এই ধরনের পদক্ষেপ বৈশ্বিক তেল সরবরাহ ও অর্থনীতিতে বড় ধরনের প্রভাব ফেলতে পারে বলে বিশ্লেষকরা মনে করছেন। অন্যদিকে, সৌদি আরব জানিয়েছে, সাম্প্রতিক হামলার পর তাদের জ্বালানি স্থাপনাগুলো পুনরুদ্ধার করা হয়েছে। তবে যুদ্ধ আবার শুরু হতে পারে—এমন আশঙ্কা রয়েই গেছে। বিশ্লেষকদের মতে, বর্তমান পরিস্থিতি কেবল আঞ্চলিক নয়, বরং বৈশ্বিক সংকটে রূপ নিতে পারে। মধ্যপ্রাচ্যের অস্থিতিশীলতা বিশ্বজুড়ে জ্বালানি বাজার, বাণিজ্য এবং নিরাপত্তা ব্যবস্থায় দীর্ঘমেয়াদি প্রভাব ফেলতে পারে।

























