ঢাকা ১১:৪৪ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২২ জুন ২০২৬, ৮ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ:
তিস্তার ভয়াবহ ভাঙনে হুমকিতে মহিপুর সেতু, ঝুঁকিতে রংপুর-কাকিনা সড়ক আলমডাঙ্গায় মাদকসেবনের দায়ে দুই যুবকের কারাদণ্ড তামিলনাড়ুর কারখানায় গ্যাস লিক! মৃত অন্তত ৭, আহত ৬৭ দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত ৬৩৩ পরিবারের মুখে স্বস্তির হাসি: আলমডাঙ্গায় নগদ অর্থ ও খাদ্যশস্য বিতরণ মাদারগঞ্জে জাতীয় ফল মেলা-২০২৬ অনুষ্ঠিত ইউপি চেয়ারম্যানের কিশোরগ্যাং কর্তৃক হামলার শিকার চ্যানেল ওয়ান’র রিপোর্টার অপু রংপুর নগরজুড়ে ঝুলন্ত অবৈধ তারের জঞ্জাল, নানা ঝুঁকিসহ ভয়ংকর দুর্ঘটনার আশংকা নান্দাইলে ইউপি নির্বাচনকে সামনে রেখে চেয়ারম্যান প্রার্থী আলহাজ্ব ওয়ালীউল্লাহর মতবিনিময় সভা রায়গঞ্জে সোনাখাড়া ইউনিয়নে টিআর-কাবিটা-কাবিখা প্রকল্পে অনিয়মের অভিযোগ  ময়নাগুড়িতে দাঁড়িয়ে থাকা ট্রাকে সজোরে ধাক্কা বাসের ! ভয়াবহ দুর্ঘটনায় মৃত অন্তত ৫

স্ক্রিনের বন্দিত্বে হারিয়ে যাচ্ছে বাস্তব জীবন

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • আপডেট সময় : ০২:৫০:২৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৯ জুন ২০২৬ ৪৪ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের অতিরিক্ত ব্যবহার এখন বিশ্বজুড়ে এক নীরব সংকটে পরিণত হয়েছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ফেসবুক, ইনস্টাগ্রাম, টিকটকসহ বিভিন্ন প্ল্যাটফর্মের প্রতি আসক্তি তরুণ প্রজন্মকে বাস্তব জীবন থেকে ক্রমেই দূরে সরিয়ে দিচ্ছে।

আরও পড়ুন, https://www.dailyamaderpatrika.com/2026/05/11/শিশুদের-স্ক্রিন-টাইম-কমা/

কয়েক বছর আগে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি হলে প্রকাশিত একটি ছবি এই বাস্তবতাকে স্পষ্টভাবে তুলে ধরেছিল। গাদাগাদি করে এক কক্ষে থাকা শিক্ষার্থীরা কেউ কারো সঙ্গে কথা বলছে না, সবার দৃষ্টি ছিল মোবাইল ফোনের স্ক্রিনে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের অতিরিক্ত ব্যবহার শুধু সামাজিক বিচ্ছিন্নতাই নয়, বরং মানসিক চাপ, হতাশা, উদ্বেগ, অনিদ্রা এবং আত্মবিশ্বাসহীনতার মতো সমস্যাও বাড়িয়ে দিচ্ছে। ভার্চুয়াল জগতের সাজানো ও ফিল্টার করা জীবন দেখে অনেক তরুণ-তরুণী নিজেদের নিয়ে হীনমন্যতায় ভুগছেন। গবেষণায় দেখা গেছে, স্মার্টফোনের অতিরিক্ত ব্যবহার ঘুমের ব্যাঘাত ঘটায় এবং দীর্ঘমেয়াদে মানসিক স্বাস্থ্যের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলে। পাশাপাশি সাইবার বুলিং, অনলাইন প্রতারণা এবং ব্ল্যাকমেইলের ঘটনাও বাড়ছে উদ্বেগজনক হারে।

আরও পড়ুন, https://www.dailyamaderpatrika.com/2026/05/04/স্ক্রিপ্ট-ও-অভিনয়-হতে-হব/

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, প্রযুক্তি ব্যবহারের সুবিধা অস্বীকার করার সুযোগ নেই। তবে এর ব্যবহার হতে হবে নিয়ন্ত্রিত ও ইতিবাচক। পরিবারকে সন্তানদের পাশে দাঁড়াতে হবে, স্ক্রিন টাইম নিয়ন্ত্রণে আনতে হবে এবং বাস্তব জীবনের সম্পর্ক, শিক্ষা ও সৃজনশীল কর্মকাণ্ডে বেশি সময় দেওয়ার পরিবেশ তৈরি করতে হবে। তাদের মতে, ভার্চুয়াল আনন্দ ক্ষণস্থায়ী হলেও বাস্তব জীবনের সম্পর্ক, ভালোবাসা এবং সাফল্যই মানুষের জীবনে স্থায়ী সুখ এনে দিতে পারে। তাই প্রযুক্তির সুবিধা গ্রহণের পাশাপাশি বাস্তব জীবনের গুরুত্বও সমানভাবে উপলব্ধি করতে হবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

স্ক্রিনের বন্দিত্বে হারিয়ে যাচ্ছে বাস্তব জীবন

আপডেট সময় : ০২:৫০:২৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৯ জুন ২০২৬

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের অতিরিক্ত ব্যবহার এখন বিশ্বজুড়ে এক নীরব সংকটে পরিণত হয়েছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ফেসবুক, ইনস্টাগ্রাম, টিকটকসহ বিভিন্ন প্ল্যাটফর্মের প্রতি আসক্তি তরুণ প্রজন্মকে বাস্তব জীবন থেকে ক্রমেই দূরে সরিয়ে দিচ্ছে।

আরও পড়ুন, https://www.dailyamaderpatrika.com/2026/05/11/শিশুদের-স্ক্রিন-টাইম-কমা/

কয়েক বছর আগে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি হলে প্রকাশিত একটি ছবি এই বাস্তবতাকে স্পষ্টভাবে তুলে ধরেছিল। গাদাগাদি করে এক কক্ষে থাকা শিক্ষার্থীরা কেউ কারো সঙ্গে কথা বলছে না, সবার দৃষ্টি ছিল মোবাইল ফোনের স্ক্রিনে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের অতিরিক্ত ব্যবহার শুধু সামাজিক বিচ্ছিন্নতাই নয়, বরং মানসিক চাপ, হতাশা, উদ্বেগ, অনিদ্রা এবং আত্মবিশ্বাসহীনতার মতো সমস্যাও বাড়িয়ে দিচ্ছে। ভার্চুয়াল জগতের সাজানো ও ফিল্টার করা জীবন দেখে অনেক তরুণ-তরুণী নিজেদের নিয়ে হীনমন্যতায় ভুগছেন। গবেষণায় দেখা গেছে, স্মার্টফোনের অতিরিক্ত ব্যবহার ঘুমের ব্যাঘাত ঘটায় এবং দীর্ঘমেয়াদে মানসিক স্বাস্থ্যের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলে। পাশাপাশি সাইবার বুলিং, অনলাইন প্রতারণা এবং ব্ল্যাকমেইলের ঘটনাও বাড়ছে উদ্বেগজনক হারে।

আরও পড়ুন, https://www.dailyamaderpatrika.com/2026/05/04/স্ক্রিপ্ট-ও-অভিনয়-হতে-হব/

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, প্রযুক্তি ব্যবহারের সুবিধা অস্বীকার করার সুযোগ নেই। তবে এর ব্যবহার হতে হবে নিয়ন্ত্রিত ও ইতিবাচক। পরিবারকে সন্তানদের পাশে দাঁড়াতে হবে, স্ক্রিন টাইম নিয়ন্ত্রণে আনতে হবে এবং বাস্তব জীবনের সম্পর্ক, শিক্ষা ও সৃজনশীল কর্মকাণ্ডে বেশি সময় দেওয়ার পরিবেশ তৈরি করতে হবে। তাদের মতে, ভার্চুয়াল আনন্দ ক্ষণস্থায়ী হলেও বাস্তব জীবনের সম্পর্ক, ভালোবাসা এবং সাফল্যই মানুষের জীবনে স্থায়ী সুখ এনে দিতে পারে। তাই প্রযুক্তির সুবিধা গ্রহণের পাশাপাশি বাস্তব জীবনের গুরুত্বও সমানভাবে উপলব্ধি করতে হবে।