সাইফুল্লাহ হত্যাকাণ্ডে বিক্ষোভ, বাড়িঘর ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ
- আপডেট সময় : ০২:৫৭:২৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ২২ জুন ২০২৬ ২৪ বার পড়া হয়েছে
গাইবান্ধার সাঘাটায় সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটি নিয়ে বিরোধের জেরে শিবির নেতা সাইফুল্লাহ বারী নিহত হওয়ার ঘটনায় এলাকায় চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে। হত্যাকাণ্ডের পর অভিযুক্তদের বাড়িতে হামলা, ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটেছে। একই সঙ্গে ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে আশরাফ নামের একজনকে আটক করেছে পুলিশ।
রোববার সন্ধ্যায় বোনারপাড়া ইউনিয়নের বাটি গ্রামে অভিযুক্ত মুকুল ও পলাশের বাড়িতে বিক্ষুব্ধ জনতা অগ্নিসংযোগ করে। পরে ফায়ার সার্ভিসের ২২ সদস্যের একটি দল প্রায় আড়াই ঘণ্টার চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। ফায়ার সার্ভিস জানিয়েছে, অগ্নিকাণ্ডে প্রায় সাড়ে ৮ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। তবে প্রায় ১৫ লাখ টাকার সম্পদ রক্ষা করা সম্ভব হয়েছে।
আরও পড়ুন, https://www.dailyamaderpatrika.com/2026/06/21/গুলিবিদ্ধ-বিএনপি-কর্মী-ন/
নিহত সাইফুল্লাহ বারী বোনারপাড়া ইউনিয়ন ছাত্রশিবিরের সভাপতি ছিলেন। তিনি রংপুরের সাতগড়া মডেল কামিল মাদরাসার আল-কুরআন বিভাগের তৃতীয় বর্ষের ছাত্র ছিলেন। পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে আশরাফ খন্দকার নামে একজনকে আটক করা হয়েছে। তবে মূল অভিযুক্তসহ অন্যরা এখনও পলাতক রয়েছে এবং তাদের গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে।
স্থানীয় সূত্র জানায়, কচুয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটি নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে তর্কের একপর্যায়ে সংঘর্ষ বাধে। এ সময় সাইফুল্লাহ বারীর গলায় লোহার শাবল দিয়ে আঘাত করা হলে তিনি গুরুতর আহত হন। পরে হাসপাতালে নেওয়ার পথে তার মৃত্যু হয়। এ ঘটনায় গুরুতর আহত হয়েছেন সালাউদ্দিন নামে আরও একজন। তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় পাঠানো হয়েছে।
আরও পড়ুন, https://www.dailyamaderpatrika.com/2026/06/21/না-ফেরার-দেশে-বীর-মুক্তিয-2/
হত্যাকাণ্ডের প্রতিবাদে গাইবান্ধা ও ঢাকায় বিক্ষোভ মিছিল করেছে ইসলামী ছাত্রশিবির। একই সঙ্গে দ্রুত গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক বিচারের দাবি জানিয়েছেন বিভিন্ন রাজনৈতিক নেতারা। ঘটনাটি নিয়ে এলাকায় এখনও থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছে এবং জড়িতদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
























